ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও মশকনিধন কার্যক্রম জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক)।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার সকালে নগর ভবনের সিটি হল সভাকক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। সভায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, কীটতত্ত্ববিদ, স্বাস্থ্যকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সভায় বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতা ও নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ। এডিস মশা জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে বংশবিস্তার করতে পারে। তাই বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা, নির্মাণাধীন ভবন ও আশপাশের এলাকায় পানি জমে আছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, ডাবের খোসা, কনটেইনারসহ বিভিন্ন পাত্রে জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণের আহ্বান জানানো হয়। বাসাবাড়িতে সপ্তাহে অন্তত একদিন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে দুই দিন বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি যেসব এলাকায় এডিস মশার লার্ভা বেশি পাওয়া যাবে, সেসব এলাকা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আজিজুল হক আজাদ বলেন, ডেঙ্গু এডিস মশাবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ। মশার কামড় থেকে সুরক্ষায় দিনে ও রাতে মশারি ব্যবহার এবং বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দেন তিনি। ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
সভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও প্রতিরোধের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন জেলা কীটতত্ত্ববিদ উম্মে হাবিবা এবং বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয়ের কীটতত্ত্বীয় টেকনিশিয়ান মোঃ আব্দুল বারী। রাসিকের গৃহীত পদক্ষেপের তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জু।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার সকালে নগর ভবনের সিটি হল সভাকক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। সভায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, কীটতত্ত্ববিদ, স্বাস্থ্যকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সভায় বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতা ও নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ। এডিস মশা জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে বংশবিস্তার করতে পারে। তাই বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা, নির্মাণাধীন ভবন ও আশপাশের এলাকায় পানি জমে আছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, ডাবের খোসা, কনটেইনারসহ বিভিন্ন পাত্রে জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণের আহ্বান জানানো হয়। বাসাবাড়িতে সপ্তাহে অন্তত একদিন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে দুই দিন বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি যেসব এলাকায় এডিস মশার লার্ভা বেশি পাওয়া যাবে, সেসব এলাকা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আজিজুল হক আজাদ বলেন, ডেঙ্গু এডিস মশাবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ। মশার কামড় থেকে সুরক্ষায় দিনে ও রাতে মশারি ব্যবহার এবং বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দেন তিনি। ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
সভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও প্রতিরোধের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন জেলা কীটতত্ত্ববিদ উম্মে হাবিবা এবং বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয়ের কীটতত্ত্বীয় টেকনিশিয়ান মোঃ আব্দুল বারী। রাসিকের গৃহীত পদক্ষেপের তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জু।
আবু হেনা মোস্তফা জামান